আশব্দ

শব্দের শব ছুঁয়ে বসে আছি, শব্দ আমার… পুরোন পোশাক ছিঁড়ে সাধ হয় নতুন জামার। আমাদেরও দিন ছিল,আজ নয় ক্ষত-বিক্ষত ছেঁড়া জামা, তার কাঁধে হাত রেখে বন্ধুর মতো কথা হত, আজ নয় ভরা গাঙে ভেসে গেছে হৃদি মাথা খুঁড়লেও খুঁজে পাবে…

শব্দের শব ছুঁয়ে বসে আছি, শব্দ আমার… পুরোন পোশাক ছিঁড়ে সাধ হয় নতুন জামার। আমাদেরও দিন ছিল,আজ নয় ক্ষত-বিক্ষত ছেঁড়া জামা, তার কাঁধে হাত রেখে বন্ধুর মতো কথা হত, আজ নয় ভরা গাঙে ভেসে গেছে হৃদি মাথা খুঁড়লেও খুঁজে পাবে…

মদনের পায়ে রতির ওষ্ঠ কৃষ্ণবিরহে রাধার কষ্ট অব্যক্তের মূর্তি স্পষ্ট দেখা যায়, চেনা যায় না। এ মহাপৃথিবী কখন রুষ্ট কখন ক্লান্ত কখন তুষ্ট কেউ রোগা কেউ হৃষ্টপুষ্ট সব বোঝা যায়, যায় না। কোন রেলগাড়ি কু ঝিকঝিক পাশ দিয়ে ছোটে কি…

শীত এলেই গাছেরা রান্নাঘর পাল্টায় তাপ পুড়িয়ে সবুজ ক্লোরোফিলে গাছেরা নতুন করে রান্নাঘর তৈরি করে নিজের আর মানুষের জন্য… মানুষ রান্নাঘর বিশেষ একটা পাল্টায় না তবুও মানুষ সব পুড়িয়ে শেষে গাছ পোড়ায়…. ছবি: অরিন্দম বসু
আরো পড়ুনদুটি কবিতা
ভাঙাঘরে ডেটলের গন্ধ আর নাভির উপর স্থলপদ্ম বাটিকপ্রিন্ট করা অনন্তসম্ভবা এসব নিয়েই আমার যাপন জীবনের ওঠানামা, এপার ওপার এভাবেই সাতপাঁচ ভাবতে ভাবতে অন্ধকারে পেঁচিয়ে গেল ঘুম রুমালে চোখ মুছে বিভ্রমের মায়া ছড়িয়ে পড়ল এদিক সেদিক ইশারায় কচুরিপানার দিঘি টমেটো ফুলের…

গীতবিতানের মতো চোখ রেখে আমি ফিরছি দখিনের ব্যালকনি খুলে রাখো দু’হাতে বিনুনি বাঁধো সামনে উথলে ওঠা ঢেউ , সমুদ্র নোনা গন্ধে ভেসে যাচ্ছে সোঁদামাটির আগুন তবু বৃষ্টিপাতের পরে চাষ হয় বীজ বোনে , ফসলে ফসলে একাকার ঠোঁটের আকুলতা হৃদয় আরশিতে…

ওখানে আমার সর্বস্ব রয়েছে সবুজ ছোট্ট স্টেশন প্ল্যাটফর্মের ওপারে ধ্যানমগ্ন অরণ্যে আদরিনী মা’! মনে পড়ে,প্রথম যখন রবীন্দ্র- ধুলোয় মাথা ঠেকালাম, আবেগতাড়িতভাবে বিশ্ব কবির পদশব্দ শুনি নিম ও চন্দন বাগানে… বাবার ডাকে ঘোর কাটলো এক অনন্ত তৃষ্ণার, যে তৃষ্ণার জল পাওয়া…

এই প্রকাশ্য প্রদর্শন চোখ ঝলসে দেয় নিজস্ব রাজপাট গড়ার এক নোংরা বাজার পেয়াজের খোসা, রসুনের চোকলা উড়ছে যত্রতত্র নিজেদের সুবিধামতো যুদ্ধ বাধাই অহরহ তারপর গোপন কিছু শলা কিংবা পরামর্শ! নিজের জন্য অমঙ্গল চেয়ে আনি প্রভু অপরের ব্যাগে ভরে দিই মঙ্গলশঙ্খ…
আরো পড়ুনতৈমুর খানের কবিতাগুচ্ছ
আরো পড়ুনশঙ্কর মুখোপাধ্যায়ের কবিতাগুচ্ছ
আরো পড়ুনবিশ্বজিৎ আঁকুড়ের কবিতাগুচ্ছ
আরো পড়ুনআবদুস সালাম সমুর কবিতাগুচ্ছ
আরো পড়ুনশামীম রেজার কবিতাগুচ্ছ
বুকের পাঁজরে রাখা লাল-নীল ছবি একদিন ঠিক বড়ো হবে তুই, মেঘের পরিবার চেনাই তোকে চিনে রাখ অনন্ত শোক। জীবন ভেসে যাবে যেন নদী দূকুল ছাপিয়ে ঢুকে আসে গ্রামে এখানে মানুষ বড়ো শক্ত কাঁদিনি একফোঁটা কখনও আমি তবুও আষাঢ়ের বৃষ্টি হয়ে…

শেষমেষ বৃষ্টি নামলো ছাদ নেই চিলেকোঠা, মাঠ, তালবাগান পদ্মদীঘি – এসব কিছুই নেই তবুও জানালা আছে জানালার গ্রিল শহরের রাস্তারা সোদা গন্ধ ভেজা মৌসুমী ট্র্যাফিক লাইট আর ভেজা ভেজা হাওয়ায় কালো মেঘ মাথায় নিয়ে তোমার আসা যাওয়া আমার শহর ছেড়ে…